বোলারদের জন্য দুঃস্বপ্নের নাম টি-টোয়েন্টি
সংস্করণ। ব্যাটসম্যানরা বোলারদের বেদড়ক পেটাবে, বাউন্ডারিতে আছড়ে ফেলবে
এটাই যেন এই সংস্করণের সবচেয়ে বড় সার্থকতা। টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টগুলোতে
ব্যাটসম্যানদের রাজত্বের মধ্যেও মাঝেমাঝে পাদ প্রদীপে চলে আসেন বোলাররা।

তাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে নাজেহাল হন ব্যাটসম্যানরা, নেন মেডেন ওভার; ঘুরিয়ে দেন ম্যাচের মোড়। আধুনিক টি-টোয়েন্টি যুগে এটা অবশ্য নিয়মিত দেখা যায় না। তেমনকিছুই আইপিএলে দেখিয়েছেন কয়েকজন বোলার। একনজরে দেখে নেওয়া যাক এই টুর্নামেন্টের মেডেনের রোজাদের।
সন্দ্বীপ শর্মা: আইপিএলে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে খেলেছেন সন্দীপ শর্মা। টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত ৯০টি ম্যাচে ২৯০.৫ ওভার বোলিং করেছেন তিনি। সন্দ্বীপ মেডেন নিয়েছেন আটটি। শুধু বল হাতে নয়, ব্যাট হাতেও ঝড় তুলতে সক্ষম তিনি। আসরে তার সেরা পারফরম্যান্স ২০১৪ সালে ১১ ম্যাচে ১৮ উইকেট নেওয়া। আইপিএলের নতুন আসরে তাকে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কীভাবে কাজে লাগায় সেটাই দেখার।
লাসিথ মালিঙ্গা: বিদেশি বোলারদের মধ্যে আইপিএলে বেশ সফল লাসিথ মালিঙ্গা। গত বছর ফাইনালে তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ডানহাতি পেসার এ পর্যন্ত আইপিএলে ১২২টি ম্যাচ খেলেছেন। বোলিং করেছেন ৪৭১.১ ওভারে। যেখানে মেডেন সংখ্যা মাত্র আটটি।
ধাওয়াল কুলকার্নি: মালিঙ্গা-সন্দীপের মতো টুর্নামেন্টে আটটি মেডেন আছে ধাওয়াল কুলকার্নিরও। তিনিও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ডানহাতি পেসার। মহারাষ্ট্রের ফ্র্যাঞ্চাইজিতে নাম লেখানোর আগে রাজস্থান রয়্যালস এবং গুজরাট লায়ন্সের হয়ে খেলেছেন তিনি। অবশেষে ঘরে ফিরে আসেন কুলকার্নি। টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত ৯৫টি ম্যাচে ২৯৫ ওভার বোলিং করেছেন তিনি।
ইরফান পাঠান: সম্প্রতি সবধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন ইরফান পাঠান। আইপিএলের সফল একজন অলরাউন্ডার তিনি। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে যে দুজন মেডেন সংখ্যায় দুই অংক ছুঁয়েছেন তাদের একজন আবার ইরফান। আইপিএলে কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলা এই অলরাউন্ডার মেডেন নিয়েছেন দশটি। ইরফান বোলিং করেছেন ৩৪০.৩ ওভার।
প্রবীন কুমার: আইপিএলে মেডেন নেওয়াদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রবীন কুমার। অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার টুর্নামেন্টে মেডেন নিয়েছেন সর্বোচ্চ ১৪টি। ২০০৮ সালে আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গুলুরুর হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন প্রবীন। টুর্নামেন্টে তিনি শেষ ম্যাচটি তিনি খেলেছেন কয়েক বছর আগে; গুজরাট লায়ন্সের হয়ে। ক্যারিয়ারে ১১৯টি ম্যাচে ৪২০.৪ ওভার বোলিং করে ৯০টি উইকেট নিয়েছেন প্রবীন।

তাদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে নাজেহাল হন ব্যাটসম্যানরা, নেন মেডেন ওভার; ঘুরিয়ে দেন ম্যাচের মোড়। আধুনিক টি-টোয়েন্টি যুগে এটা অবশ্য নিয়মিত দেখা যায় না। তেমনকিছুই আইপিএলে দেখিয়েছেন কয়েকজন বোলার। একনজরে দেখে নেওয়া যাক এই টুর্নামেন্টের মেডেনের রোজাদের।
সন্দ্বীপ শর্মা: আইপিএলে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের হয়ে খেলেছেন সন্দীপ শর্মা। টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত ৯০টি ম্যাচে ২৯০.৫ ওভার বোলিং করেছেন তিনি। সন্দ্বীপ মেডেন নিয়েছেন আটটি। শুধু বল হাতে নয়, ব্যাট হাতেও ঝড় তুলতে সক্ষম তিনি। আসরে তার সেরা পারফরম্যান্স ২০১৪ সালে ১১ ম্যাচে ১৮ উইকেট নেওয়া। আইপিএলের নতুন আসরে তাকে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স কীভাবে কাজে লাগায় সেটাই দেখার।
লাসিথ মালিঙ্গা: বিদেশি বোলারদের মধ্যে আইপিএলে বেশ সফল লাসিথ মালিঙ্গা। গত বছর ফাইনালে তার দুর্দান্ত বোলিংয়ে টুর্নামেন্টের শিরোপা জিতেছে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স। ডানহাতি পেসার এ পর্যন্ত আইপিএলে ১২২টি ম্যাচ খেলেছেন। বোলিং করেছেন ৪৭১.১ ওভারে। যেখানে মেডেন সংখ্যা মাত্র আটটি।
ধাওয়াল কুলকার্নি: মালিঙ্গা-সন্দীপের মতো টুর্নামেন্টে আটটি মেডেন আছে ধাওয়াল কুলকার্নিরও। তিনিও মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ডানহাতি পেসার। মহারাষ্ট্রের ফ্র্যাঞ্চাইজিতে নাম লেখানোর আগে রাজস্থান রয়্যালস এবং গুজরাট লায়ন্সের হয়ে খেলেছেন তিনি। অবশেষে ঘরে ফিরে আসেন কুলকার্নি। টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত ৯৫টি ম্যাচে ২৯৫ ওভার বোলিং করেছেন তিনি।
ইরফান পাঠান: সম্প্রতি সবধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন ইরফান পাঠান। আইপিএলের সফল একজন অলরাউন্ডার তিনি। টুর্নামেন্টের ইতিহাসে যে দুজন মেডেন সংখ্যায় দুই অংক ছুঁয়েছেন তাদের একজন আবার ইরফান। আইপিএলে কয়েকটি ফ্র্যাঞ্চাইজির হয়ে খেলা এই অলরাউন্ডার মেডেন নিয়েছেন দশটি। ইরফান বোলিং করেছেন ৩৪০.৩ ওভার।
প্রবীন কুমার: আইপিএলে মেডেন নেওয়াদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন প্রবীন কুমার। অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার টুর্নামেন্টে মেডেন নিয়েছেন সর্বোচ্চ ১৪টি। ২০০৮ সালে আইপিএলে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গুলুরুর হয়ে ক্যারিয়ার শুরু করেন প্রবীন। টুর্নামেন্টে তিনি শেষ ম্যাচটি তিনি খেলেছেন কয়েক বছর আগে; গুজরাট লায়ন্সের হয়ে। ক্যারিয়ারে ১১৯টি ম্যাচে ৪২০.৪ ওভার বোলিং করে ৯০টি উইকেট নিয়েছেন প্রবীন।
0 Comments